আই লাভ ইউ কুত্তা

আরেকবার বলে দেখ
আই লাভ ইউ।
এবার বল হাত পা ভেঙে যদি নাই দেই শয়তান
আই লাভ ইউ।
হারামি মর তুই
আই লাভ ইউ
কুত্তা
আই লাভ ইউ
চুপ কর শয়তান
আই লাভ ইউ
পিটিয়ে ল্যাংড়া করে দিবো জানোয়ার
আই লাভ ইউ
এই ছিলো তোর মনে হারামি, কুত্তা, জানোয়ার কোথাকার।
আই লাভ ইউ
.
.
.
আর গালি দিবে না?
ঠোঁট বন্ধ গালি দিবো কিভাবে?
কুত্তি আই লাভ ইউ ইউ
কুত্তা
September 21 at 11:58pm

আর কোন পথ নেই..

আর কোন পথ নেই, দেয়ালে পীঠ ঠেকে গেছে জানেন। কোন উপায় নেই আর।
যা করার আজকেই করতে হবে।
আসলে আমরা এরোকম টা চাইনি জানেন।
আমাদেরো একটা স্বপ্ন ছিলো।
বিশেষ করে ওর, কনের সাঁজে ওকে কেমন লাগবে ওর দেখার খুব শখ।
গত পয়েলা বৈশাখে যেদিন ও প্রথম শাড়ি পড়লো সেদিন ও কি খুশি!
সেদিন পইপই করে বলে রেখেছিলো আমি যেন পাঞ্জাবী পরে আসি।
আমি ওর সাথে মস্কারা করে বলেছিলাম ধুতি পরে আসি?
মর্ডান মোরের দোকান গুলো থেকে টোপড় টাও কিনে নেওয়া যাবে তারপর কালিমন্দিরে গিয়ে..
সে শুধু বলেছিল "নাহ"
এভাবে বিয়ে করতে পারবো না।
বাবা, মার আশীর্বাদ না নিয়ে বিয়ে করলে অমঙ্গল হয়। সংসার টিকে না।
সেদিন ও হলুদ রঙের শাড়ি পরে মাথায় ফুলের মুকুট দিয়েছিল।
আমি বললাম এ কি সেঁজেছো এ তো পয়েলা ফাল্গুনের সাঁজ!
সে লাজুক হেসে বলে মুখ লুকিয়েছিলো "তুমি বুঝো না,আজ তো আমার গাঁয়ে হলুদ"
বিয়ের কথা উঠলেই ও কল্পনায় ডুবে যেত, মহা ধুমধাম করে আমাদের বিয়ে হবে। কোন কমিনিউটি সেন্টারে না বিয়ে বাড়িতে হতে হবে।
কমিনিউটি সেন্টারে বিয়ে ভাল না সবাই আসে না,যায়গা অল্প।
আরো বলতো বিয়ে বাড়ির গেট টা হতে হবে পাহাড়পুরের রতন বেকারিদের দুর্গাপূজোর গেট টির মত বড়।
বিয়ের মন্ডপ টা হতে হবে সেরোকম যেন অর্চিতার বিয়ের মন্ডপটার চেয়েও সুন্দর হয়।
আমি জিজ্ঞেস করি আর বাসর ঘর?
যাও লজ্জা করে না বুঝি বলে মুখ লুকাতো।
আজ আর এসব ভেবে লাভ নেই।
সব সময় কল্পনায় বিভোর, হাসি খুশি পুতুল টা আমার কেমন জানি হয়ে গেছে।
গত কয়েক দিন থেকে হাসিখুশি ভাব টা মরে গেছে, দশমির দিনে দেবী ভাসানের সময় মা, মাসিদের মুখ টা যেমন মলিন হয়ে যায় ঠিক তেমন, হাসে না কথা বলে না।
ওর এই রুপ টা আমি কখনো দেখি নি রিক্সা থেকে নামার সময় বলল হয় কালকেই নয়তো কোন দিনেই নয়।
আসলে কি জানেন ওরা আমারদের স্বপ্ন গুলো মেরে ফেলার জন্য কোন ত্রুটি রাখে নি।
জানি আজকের পর আগামীকাল আমার বাবা, দাদাদের নামে থানায় কেস দায়ের হবে আমাকে এক নাম্বার আসামি করে।
রাতুলের নাম টাও দিবে বোধহয় ওর সাথেই তো সকাল সন্ধা উঠবস আমার ওরা ভাল করেই জানে।
খুব খারাপ লাগতেছে জানেন আমার জন্য, শুধু আমার জন্যই আমার বৃদ্ধ বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে, দুই একটা লোকাল পেপারে নিউজ আসবে নাবালিকা অপহরণের।
বিনা অপরাধে রাতুল টাকেও অপহরণকারী হতে হবে।
দাদাদের সামনে তো কখনোই দাঁড়াতে পারবো না ওরা আমাকে পেলে জানে মেরেই ফেলবে বোধহয়!
কিন্তু কিছু করার নাই জানেন যা করার আজকে রাতেই করতে হবে।
ও বলে দিয়েছে হয় আজকে নয়তো কোন দিনেই নয়।
ঠিক একটায় লগ্ন এগারটায় বর আসবে যা করার এগার টা থেকে ১ টার ভিতরেই করতে হবে।
জানেন আমাদের আর কোন উপায় নেই।
দেয়ালে পীঠ ঠেকে গেছে।

রাজনীতি ও প্রেমিক

সত্যি বলতে কি আমি তো প্রেমিক মানুষ! রাজনীতির কয়টা 'র' এর মানেই বা জানি?
আন্দোলন, অভ্যুত্থান বলতে সে তো বুঝি তোমায় নিয়ে বুকের ভিতর উথালপাতাল তোলপাড়।
যদিও অনেকেই বলতো আমার রাজনীতি জানার উচিত ছিলো!
বিছানার খেলায় সে তো আর খেলা নয়! সে নাকি রাজনীতির ময়দান!
হার জিত হয় প্রতিরাতে!
শেয়ানে শেয়ানে লড়াই বড়দের গল্প শুনেছিলাম আড়ালে আবডালে।
আমি কি অতশত বুঝি বল?
আমি তো তোমার চুলের বাঁধনে আষ্ঠেপৃষ্টে জড়িয়ে গেছি সে কবেই, পথ হারিয়ে খুঁজি তোমার গভীর চোখে কতকাল!
তবুও তারা বলতো আমি বুঝি নাই কখনো আমার "রাজনীতি শেখার উচিত ছিলো।"
তুমি যেদিন বললে চল পালিয়ে যাই সেদিনেও হয়তোবা তারা বলতে চেয়েছিলো ছেলেটির রাজনীতি জানা উচিত ছিলো ।
তারপর যেদিন দুজনে ধরা পরলাম সেদিন থানার কনেস্টেবল টি বলেছিলো "বেডার রাজনৈতিক জ্ঞানের বড়ই অভাবে, সরকারি পার্টির থানা সেক্রেটারির মেয় কে নিয়ে ভেগেছে"
লোকে এখন বলে আমি এখান থেকেই শুনতে পাই উরো খবরে "মেয়টা খুবই বুদ্ধিমতী কেমন করে নিজেকে সামলে নিয়েছে দেখেছেন?"
সামনের মাসে ফ্লাইড...
image



image

তাহারা এবং তাদের ঈশ্বর!

ঈশ্বরের পা দুখানি ছেড়ে যখন
প্রথমবার যুক্তির পাতা গুলো
উল্টাচ্ছিলাম তখন শেষবার তার
চোখ রাঙানি দেখেছিলাম।
সেই শেষবার।
যখন যুক্তির পাঠ শেষ করলাম তখন সে
ধুলোয় গড়াগড়ি খাচ্ছিলো।
যখন প্রথম বার যুক্তির কথা তুলি তখন
সে উঠে চলে যায়।
কখনো দেখিনি তাকে আর।
এরপর যখন আমি যুক্তির কথা বলতে
মঞ্চে উঠি কেউ বা কারা এসে
পিছনে দাঁড়ালো বুঝি।
প্রথম বাক্য টা বলার পর কেউ কেউ
অতি উৎসাহী না বুঝেই হাত তালি
দিলো।
দ্বিতীয় বাক্য টার পর মৃদু গুঞ্জন
শোনা গেলো কি?
আমার তৃতীয় বাক্যটি শোনার পর
এবার কি গন্ডগোল বেঁধে যাবে?
তবুও কিছু মনোযোগী শ্রোতা
পাওয়া গেলো!
চতুর্থ বাক্য
(এরি মাঝে খবর আসলো যুক্তি নিয়ে
তাদের সাথে কথা বলতে গিয়ে
আহত হয়েছে আমারি মত কয়েক জন)
পঞ্চম বাক্য শেষ হবার আগেই খবর
পৌঁচাল কয়েক জন.... নেই
ভাবলাম নেমে যাওয়ার আগে
ধন্যবাদ দিয়ে যাই এতক্ষণ ধৈর্য
সহকারে আমার কথা শোনার জন্য।
পিছনের ছায়া মুর্তি গুলো কি নড়ে
উঠলো একটু?
আমার নাকটি যখন মাটিতে ঘষা
খেল তখন বিদ্রূপাত্মক হাসি ছাড়া
কিছুই শুনিনি।
কেউ বলল না লোকটা ঐ যুক্তিতে ভুল
ছিলো।
৫/৮/২০১৫

না ফোঁটা কুঁড়ি গুলো

না ফোঁটা কুঁড়ি গুলো
অকালে ঝড়ে যাওয়া মুকুল গুলো
না কোন কবিতার জন্ম দেয় না
কোন কবির হৃদয়ে অনুভূতির ঝড় তুলে
না।
শুকনো খড়কুটোর মতই একদিন জলে
ভিজে পঁচে যায়।
August 4 at 8:44pm

ঘুম

আজকাল ঘুমের মাঝেও পাশের
বাড়ির চ্যাংরা দিলিপের ভাব
চলে এসেছে কোথায় কোথায়
জানি আড্ডা দিয়ে হয়তোবা
দিলিপের মতই হোটেল বন্ধ হবার
আগে আগে শেষ চা টা খেয়ে এর ওর
জানালায় কান পেতে গল্প শোনার
চেস্টায় ব্যার্থ হয়ে শেষ রাতে
ঘরে ফিরে!
এর আগে আসতো হেলেদুলে লাট
সাহেবের ভাব নিয়ে এসেই গল্প
জুড়ে দিতো কলমির কাছে যাই না
আজ পাঁচ ছয় দিন! মেয়টা নতুন প্রেমে
পরেছে আমার তার কাছে গিয়ে
আর কাজ নেই।
প্রথম প্রেমের রঙিন অনুভূতিতে
ব্যাঘাত ঘটানো টা ঠিক ভাল
লাগে না আমার।
অচিন্ত বাবুর ধারে কাছেও যাই না
আমি আজ কাল কি জানি নিয়ে
ভাবে সব সময়! আমার গিয়ে কাজ
নেই।
মাঝে মাঝে ভয় হয় ভাবি যাই ঘুম
পারিয়ে দিয়ে আসি, প্রানমল টার
মত মাথায় রক্ত উঠে মরে না,না যায়
আবার!
আসার পথে নকুল দের জানালায়
উঁকি দিয়ে এলাম বিয়ে হয়েছে
কেবল কয়েক দিনই হলো গল্প করেই
কাটাক না আর কয়েক টা রাত ওরা!
তাই গেলাম না আজো।
এই তো কয়েক বছর আগেও মত সন্ধা
হলেই ঝুপ করে চলে আসতো। তাকে
এড়িয়ে যায় সাধ্য কার!
তার জ্বালায় মায়ের সাথে ডিডি
বাংলার জন্মভূমি সিরিয়াল টাও
দেখা হতো না কোন কোন দিন!
পড়তে বসে তার জন্য বাবার হাতে
মার খেয়েছি কত সন্ধায়!
অনেক দিন থেকে জিজ্ঞেস করবো
করবো করে আজ জিজ্ঞেস করেই
ফেললাম ছোট ছিলাম যখন তখন তো
ভর সন্ধায় আসতে এখন আসো না কেন?
কলমির মত প্রেমে, অচিন্ত বাবুর মত
মেয়ের বিয়ের চিন্তা,কিংবা
নকুলের মত নতুন বউ কোনটাই তো নাই
আমার!
জবাব দিচ্ছে না দেখে মুখ তুলে
পাশ ফিরলাম, না নেই এইতো
বালিশের পাশেই বসে ছিলো
এতক্ষণ!
July 28 at 1:03am

ভুলতেছি আমি ভুলের রাজ্যে। তুমি এবং তোমাকে! ভুলে যাচ্ছি চিহ্ন, ভুলে যাচ্ছি চেহেরা। ভুলছি, কি ভুল করছি তাতে! ভুল হচ্ছে দিন রাত, ভুল করতেছ...