তারপর একদিন ছাইচাপা আগুনের মত জমানো ক্ষোভ গুলো হঠ্যাৎ করেই বিক্ষোভে রুপ নিলো। নাম হীন গল্প গুলো যারা এতদিন এলোমেলো নিরীহ ভাবে ঘুরে বেড়াতো এ গলি, ও গলিতে।
তারাও দাবি নিয়ে রাজপথ দখল করে বসলো, আমাদের নাম দাও, শরীর দাও। চরিত্র গুলো আমরণ অনশনে বসলো দাবি একটাই তাদের আকার দাও, দিতে হবে পরিচয়।
অকাল গর্ভপাতে মৃত গল্পের আত্মরাও এসে হাজির সে বিক্ষোভে, তাদের দাবি এই অন্যায়ের বিচার চাই, তাদের দিতে হবে পুনজন্ম আবার!
ব্যার্থ প্রণয়ে গর্ভধারণ, তারপর অকাল গর্ভপাতে মৃত কবিতা গুলো নিরবে দাঁড়িয়ে রইলো বিক্ষোভের আরেক পাশে!
আন্দোলন দমনে শহরজুড়ে আর্মি এলো, বলবত হলো সান্ধ আইন।
শত অত্যাচার, প্রলোভনেও বিক্ষোভ কমলো না, আন্দোলন থামলো না।
দাবি একটাই নাম চাই, শরীর চাই, আকার চাই।
তোমরা অপূর্ণাঙ্গ, তোমাদের এই অবস্থায় বের করে আনলে তোমরা শুধু বোঝা হবে সবার। শত শত কলাম লিখলো দৈনিকে, টিভিতে টকশোতে গলা চড়ালো ভাড়াটে যত বুদ্ধিজীবী গন।
তবুও বিক্ষোভ কমলো না, আন্দোলন থামলো না।
অবশেষে মেনে নেওয়া হলো সব দাবি শর্ত একটাই কর্তার ইচ্ছায় একে একে নাম, আকার, শরীর পাবে সবাই।
প্রথম জন্ম পেল একটি কবিতা "বৈশাখ এলেই আমি উত্তেজিত হয়ে যাই"।
0 comments:
Post a Comment